সংস্করণ: ২.০১

স্বত্ত্ব ২০১৪ - ২০১৭ কালার টকিঙ লিমিটেড

dhaka-college-admission.jpg

৬ জুন থেকে ১৮ জুন কলেজ বা সমমানের প্রতিষ্ঠানে ভর্তির আবেদনের নিয়ম

আশা করি প্রত্যেক শিক্ষার্থীই তাদের পছন্দের কলেজে ভর্তির সুযোগ পাবে। যদিও এটা অনেকটা অসম্ভব। কেউ যদি তার পছন্দের কলেজে ভর্তির সুযোগ নাও পায় তবুও যেন হতাশ না হয়।

প্রতিটি শিক্ষার্থীর এসএসসি বা সমমানের পরীক্ষা পাশের পর ইচ্ছা থাকে ভাল কোন কলেজে ভর্তি হবার। ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষে কলেজে ভর্তির আবেদন প্রক্রিয়া ৬ জুন থেকে ১৮ জুন পর্যন্ত চলবে। এবার এসএমএস’র পাশাপাশি অনলাইনেও আবেদন করা যাবে।

চলুন জেনে নেয়া যাক এসএমএস ও অনলাইনের মাধ্যমে আবেদনের নিয়ম:

  • একটি টেলিটক প্রিপেইড সিম লাগবে।
  • মোবাইলের মেসেজ অপশনে গিয়ে CAD<space> ভর্তিচ্ছু কলেজের EIIN<space> ভর্তিচ্ছু গ্রূপের নামের প্রথম দুই অক্ষর<space> এসএসসি বা সমমানের পরীক্ষা পাশের বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর<space>রোল নম্বর<space>পাশের সন<space>ভর্তিচ্ছু শিফ্‌টের নামের প্রথম অক্ষর <space>ভার্সন<space>কোটার নাম লিখে ১৬২২২ নম্বরে পাঠাতে হবে।

উদাহরণ: CAD 696954 SC DHA 123456 2015 D B FQ

(এখানে 696954-হল ভর্তিচ্ছু কলেজ বা সমমানের প্রতিষ্ঠানের EIIN নম্বর, SC-ভর্তিচ্ছু গ্রূপের নামের প্রথম দুই অক্ষর, DHA-বোর্ডের প্রথম তিন অক্ষর, 123456-রোল নম্বর, 2015-পরীক্ষা পাশের সন, D-শিফ্‌টের নামের প্রথম অক্ষর, B-ভার্সনের প্রথম অক্ষর, FQ-মুক্তিযোদ্ধা কোটা)।

  • সাধারণ বোর্ড: Science এর জন্য SC, Humanities এর জন্য HU, Business Studies এর জন্য BS, Home Economics এর জন্য HE, Islamic Studies এর জন্য IS, Music এর জন্য MC লিখতে হবে।
  • শিফ্‌ট: Morning=M, Day=D, Evening=E হবে। আবেদনকৃত কলেজে যদি কোন শিফ্‌ট না থাকে তবে শিফ্‌টের জায়গায় N লিখতে হবে।
  • ভার্সনের ক্ষেত্রে: Bangla=B, এবং English=E লিখতে হবে।
  • কোটা: মুক্তিযোদ্ধার কোটা হলে FQ এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়, শিক্ষামন্ত্রণালয়ের অধিনস্ত দপ্তরসমূহ, স্ব স্ব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক/কর্মচারী এবং গভর্ণিং বডির সদস্যের সন্তানদের কোটার ক্ষেত্রে EQ এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান কর্তৃক ঘোষিত বিশেষ কোটার জন্য SQ লিখতে হবে। একাধিক কোটা থাকলে কমা দিয়ে একাধিক কোটা উল্লেখ করতে হবে। যেমন: কারো মুক্তিযোদ্ধা ও বিশেষ কোটা আছে। সুতরাং তাকে FQ,SQ লিখতে হবে। কোন কোটা না থাকলে কোটার স্থানে কিছুই লেখা লাগবে না।
  • ফিরতি এসএমএস এ PIN (Personal Identification Number) প্রদান করবে। তখন মেসেজ অপশনে গিয়ে CAD<space>Yes<space>PIN<space>Contact Number (নিজের ব্যবহৃত যে কোন মোবাইল নম্বর) লিখে ১৬২২২ নম্বরে পাঠাতে হবে।
  • পছন্দক্রম যাচাইয়ের ক্ষেত্রে প্রথম যে কলেজের জন্য এসএমএস করেছে তাকে ১ম পছন্দ ও দ্বিতীয় এসএমএস’র কলেজকে ২য়, এভাবে বাকিগুলোও নির্ধারিত হবে। পূর্বে অনলাইনে আবেদন করে থাকলে সেটিকে প্রথম ধরে পছন্দক্রম সাজাবে।
  • একজন আবেদনকারী একই কলেজের একাধিক গ্রূপ, শিফ্‌টে আবেদন করতে পারবে। তবে প্রতিক্ষেত্রেই ফি বাবদ ১২০ টাকা কেটে নিবে।
  • অনলাইনে আবেদনের জন্য সরকার নির্ধারিত ওয়েবসাইট ভিজিট করতে হবে। এখানে শিক্ষার্থীরা পছন্দক্রমানুসারে পাঁচটি কলেজকে নির্বাচন করতে পারবে। এর মধ্য থেকেই বোর্ড কলেজ নির্ধারণ করবে। যদি কেউ পছন্দের কলেজে ভর্তির সুযোগ না পায় তবে আসন খালি থাকা কলেজগুলোতে ভর্তি হতে পারবে। একটি আবেদনে পাঁচটি কলেজের উল্লেখ থাকলেও ১৫০ টাকা কাটবে। কিন্তু মোবাইল এসএমএস’র ক্ষেত্রে প্রতিটি কলেজের জন্য ১২০ টাকা করে নিবে।
  • পুনঃনিরীক্ষণকারী শিক্ষার্থীরা ২১ জুন পর্যন্ত আবেদনের সুযোগ পাবে। তাদের পুনঃনিরীক্ষণের ফলাফল প্রকাশিত হবে ২০ জুন।

আশা করি প্রত্যেক শিক্ষার্থীই তাদের পছন্দের কলেজে ভর্তির সুযোগ পাবে। যদিও এটা অনেকটা অসম্ভব। কেউ যদি তার পছন্দের কলেজে ভর্তির সুযোগ নাও পায় তবুও যেন হতাশ না হয় এই কামনায় আজকের মত শেষ করছি।

-
লেখক: শিক্ষার্থী, চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয় (সিভাসু)।


এখানে প্রকাশিত প্রতিটি লেখার স্বত্ত্ব ও দায় লেখক কর্তৃক সংরক্ষিত। আমাদের সম্পাদনা পরিষদ প্রতিনিয়ত চেষ্টা করে এখানে যেন নির্ভুল, মৌলিক এবং গ্রহণযোগ্য বিষয়াদি প্রকাশিত হয়। তারপরও সার্বিক চর্চার উন্নয়নে আপনাদের সহযোগীতা একান্ত কাম্য। যদি কোনো নকল লেখা দেখে থাকেন অথবা কোনো বিষয় আপনার কাছে অগ্রহণযোগ্য মনে হয়ে থাকে, অনুগ্রহ করে আমাদের কাছে বিস্তারিত লিখুন।

College, Admission, test, dhaka, Bangladesh, SSC, Eleven, 2015, HSC